You are currently browsing the daily archive for মে 3rd, 2008.

যে টেলিফোন আসার কথা সে টেলিফোন আসেনি।

প্রতীক্ষাতে প্রতীক্ষাতে

সূর্য ডোবে রক্তপাতে

সব নিভিয়ে একলা আকাশ নিজের শূন্য বিছানাতে।

একান্তে যার হাসির কথা হাসেনি।

যে টেলিফোন আসার কথা আসেনি।

 

অপেক্ষমান বুকের ভিতর কাঁসরঘন্টা শাখেঁর উলু

একশ বনের বাতাস এসে একটা গাছে হুলুস্থুলু

আজ বুঝি তার ইচ্ছে আছে

ডাকবে আলিঙ্গনের কাছে

দীঘির পাড়ে হারিয়ে যেতে সাঁতার জলের মত্ত নাচে।

এখনো কি ডাকার সাজে সাজেনি?

যে টেলিফোন বাজার কথা বাজেনি।

 

তৃষ্ণা যেন জলের ফোঁটা বাড়তে বাড়তে বৃষ্টি বাদল

তৃষ্ণা যেন ধূপের কাঠি গন্ধে আঁকে সুখের আদল

খাঁ খাঁ মনের সবটা খালি

মরা নদীর চড়ার বালি

অথচ ঘর দুয়ার জুড়ে তৃষ্ণা বাজায় করতালি

প্রতীক্ষা তাই প্রহরবিহীন

আজীবন ও সর্বজনীন

সরোবর তো সবার বুকেই, পদ্ম কেবল পর্দানশীন

স্বপ্নকে দেয় সর্বশরীর, সমক্ষে সে ভাসে না।

যে টেলিফোন আসার কথা সচরাচর আসে না।

তারপরও কথা থাকে;

বৃষ্টি হয়ে গেলে পর

ভিজে ঠাণ্ডা বাতাসের মাটি-মাখা গন্ধের মতন

আবছায়া মেঘ মেঘ কথা;

কে জানে তা কথা কিংবা

কেঁপে ওঠা রঙিন স্তব্ধতা।

 

সে কথা হবে না বলা তাকে:

শুধু প্রাণ ধারণের প্রতিজ্ঞা ও প্রয়াসের ফাঁকে ফাঁকে

অবাক হৃদয়

আপনার সঙ্গে একা-একা

সেই সব কুয়াশার মত কথা কয়।

অনেক আশ্বর্য কথা হয়তো বলেছি তার কানে।

হৃদয়ের কতটুকু মানে

তবু সে কথায় ধরে!

 

তুষারের মতো যায় ঝরে

সব কথা কোনো এক উত্তুঙ্গ শিখরে

আবেগের,

হাত দিয়ে হাত ছুঁই,

কথা দিয়ে মন হাতড়াই

তবু কারে কতটুকু পাই।

 

সব কথা হেরে গেলে

তাই এক দীর্ঘশ্বাস বয়,

বুঝি ভুলে কেঁপে ওঠে

একবার নির্লিপ্ত সময়।

 

তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে

কুয়াশা জড়ায়

কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়।

 

মে 2008
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র
« এপ্রি   জানু »
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31